Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

১. শিল্প নিবন্ধনঃ ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধন বিশিষ্ট বিদ্যমান অথবা প্রস্তাবিত স্থানীয় শিল্পের নিবন্ধন

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র/দলিলাদিঃ

১. শিল্প প্রকল্প নিবন্ধনের জন্য কোম্পানির নিজস্ব প্যাডে উপ-পরিচালক, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ , বিভাগীয় কার্যালয়, সিলেট বরাবরে আবেদনপত্র

২. বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের শিল্প নিবন্ধনের পূরণকৃত আবেদন ফরম - ২ কপি

৩. পাবলিক/প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে ইনকোরপোরেশন সার্টিফিকেটসহ মেমোরেন্ডাম এন্ড আর্টিকেলস অব এসোসিয়োশন,  অংশীদারী প্রতিষ্ঠান হলে রেজিস্টার্ড অংশীদারী চুক্তি এর সত্যায়িত কপি- ১ কপি

৪. প্রকল্প ব্যয় ১০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে হলে প্রজেক্ট প্রোফাইল- ২ কপি

৫. বিনিয়োগকারী(পরিচালক/উদ্যাক্তা/অংশীদারদের তালিকা-নাম ও ঠিকানা, পদবী, জাতীয়তা)-কোম্পানির প্যাডে-৩ কপি

৬. সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দপ্তর/কমিশন/সংস্থার অনুমতি/ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

৭. প্রকল্প জমির মালিকানার রেজিস্টার্ড দলিল(নিজস্ব জমি হলে)/ইজার বা ভাড়াকৃত হলে ভাড়াচুক্তি নামা এর দলিল- ১ কপি

৮. স্থানীয় ভাবে সংগৃহীতব্য/সংগৃহীত যন্ত্রপাতির তালিকা (যন্ত্রের বিবরণ, সংখ্যা, মূল্য টাকা ও ইউস ডলার)- কোম্পানির প্যাডে- ৩ কপি

৯. আমদানিকৃত/আমদানিতব্য যন্ত্রপাতির তালিকা (ধরন, সংখ্যা, মূল্যসহ)- কোম্পানির প্যাডে- ৩ কপি

১০. ট্রেড লাইসেন্স এর অনুলিপি- ১ কপি

১১. টিআইএন সনদপত্রের অনুলিপি- ১ কপি

১২. ব্যাংক ঋণ দ্বারা গৃহীত প্রকল্পের ক্ষেত্রে ব্যাংকের ঋণ অনুমোদন পত্র- ১ কপি

প্রয়োজনীয় ফিঃ

“বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ”এর বরাবরে নিবন্ধন ফি এর পে অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট। নিবন্ধন ফিঃ (টাকায়) প্রকল্প মূল ধন ১০ কোটি পর্যন্ত হলে ৫০০০, ১০-২৫ কোটি হলে ১০০০০, ২৫-৫০ কোটি হলে ২৫০০০, ৫০-১০০ কোটি হলে ৫০০০০ এবং ১০০ কোটির বেশি ১০০০০০ টাকা

কার্যসম্পাদনঃপূর্ণাঙ্গ আবেদন জমা দেয়ার ১০ দিনের মধ্যে

 

২. শিল্প নিবন্ধন সংশোধনঃ

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র/দলিলাদিঃ

১. আবেদন পত্র

২. নিবন্ধন সনদের কপি

৩. হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স

৪. হালনাগাদ টিআইএন

প্রয়োজনীয় ফিঃ

“বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ” বরাবর পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে নিবন্ধন সংশোধন ফি- ১০০০/- টাকা

কার্যসম্পাদনঃ পূর্ণাঙ্গ আবেদন জমা দেয়ার ১০ দিনের মধ্যে

 

৩. মূলধনী যন্ত্রপাতি(Capital Machinery) ছাড়করণের সুপারিশপত্রঃ

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র/দলিলাদিঃ

১. আবেদন পত্র

২. নিবন্ধন সনদের কপি

৩. এলসি, ইনভয়েস, বিল অফ ল্যাডিন/এয়ার ওয়ে বিল/কনসাইনমেন্ট নোট এর কপি

প্রয়োজনীয় ফিঃ প্রযোজ্য নয়

কার্যসম্পাদনঃ পূর্ণাঙ্গ আবেদন জমা দেয়ার ১০ দিনের মধ্যে

 

৪. শিল্প আমদানি সনদ(IRC) এর সুপারিশপত্র- প্রথম এডহক আইআরসিঃ কারখানার কাঁচামাল এবং যন্ত্রাংশ আমদানির জন্য আমদানি লাইসেন্স দরকার। শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য শিল্প আমদানি সনদ (IRC) ইস্যু করা হয়। সাধারণ বাণিজ্যিক আইআরসি'র চেয়ে শিল্প আইআরসিতে বিশেষ সুবিধাদি পাওয়া যায়, যেমন- শুল্ক হ্রাস, আমদানি ভ্যাট রিবেট পাওয়া, কারখানার জন্য আমদানি নিয়ন্ত্রিত কাঁচামাল/যন্ত্রাংশ আমদানি যা সাধারণ উপায়ে আমদানিযোগ্য নয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র/দলিলাদিঃ

১. আবেদন পত্র

২. নিবন্ধন সনদের কপি

৩. সংঘ-স্মারক এবং সংঘ-বিধি(M&AOA) এর কপি

৪. হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স

৫. হালনাগাদ আয়কর(টিআইএন-TIN) সনদ

৬. চেম্বার অফ কমার্স অথবা অন্য কোন সংঘের হালনাগাদ সদস্যপদের সনদের কপি

৭. ব্যাংক থেকে স্বচ্ছলতার সনদ

৮. ইতিপূর্বে আমদানিকৃত মূলধনী যন্ত্রপাতির তালিকা(ব্যাংকের প্রত্যায়নসহ)

৯. কারখানায় স্থাপিত সকল যন্ত্রপাতির তালিকা

১০. প্রধান নিয়ন্ত্রক, আমাদানি-রপ্তানি বরাবর নির্ধারিত আবেদন ফরম-২ ফর্দ

প্রয়োজনীয় ফিঃ আমাদানি-রপ্তানি নীতির আলোকে আমদানি লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি

কার্যসম্পাদনঃ পূর্ণাঙ্গ আবেদন জমা দেয়ার ১৫ দিনের মধ্যে বিষয়টি স্থানীয় তদন্ত করে স্থানীয় তদন্তের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন সন্তোষজনক হলে প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে এডহক আইআরসি ইস্যু করার জন্য প্রধান নিয়ন্ত্রক, আমদানি-রপ্তানি বরাবর সুপারিশ পত্র প্রেরণ করা হয়। সুপারিশ পত্রের সাথে আমদানিতব্য যন্ত্রপাতি/কাঁচামালের তালিকা এবং আমদান স্বত্ব(Import Entitlement) এর পরিমাণ দেয়া হয়। আমদানি রপ্তানি অফিস থেকে ৬ মাসের জন্য এডহক আইআরসি ইস্যু করা হয়। উল্লেখ্য যে, মূলধনী যন্ত্রপাতির ১০% পরিমাণ যন্ত্রাংশ বছরে আমদানি করা যায়। সে হিসেবে ৬ মাস এডহকা আইআরসিতে ৫% পরিমাণ যন্ত্রাংশ আমদনির জন্য আমদানি স্বত্ব প্রদান করা হয়।

 

৫. শিল্প আমদানি সনদ(IRC) নিয়মিত করার জন্য সুপারিশপত্রঃ ১ম বা ২য় এডহক আইআরসি'র আমদানি স্বত্বের ৮০% বা তার বেশি পরিমাণ কাঁচামাল বা যন্ত্রাংশ আমদানি করা হলে এডহক আইআরসি নিয়মিত করা হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র/দলিলাদিঃ

১. আবেদন পত্র

২. নিবন্ধন সনদের কপি

৩. সংঘ-স্মারক এবং সংঘ-বিধি(M&AOA) এর কপি

৪. হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স

৫. হালনাগাদ আয়কর(টিআইএন-TIN) সনদ

৬. চেম্বার অফ কমার্স অথবা অন্য কোন সংঘের হালনাগাদ সদস্যপদ সনদের কপি

৭. ব্যাংক থেকে স্বচ্ছলতার সনদ

৮. ইতিপূর্বে আমদানিকৃত মূলধনী যন্ত্রপাতির তালিকা(ব্যাংকের প্রত্যায়নসহ)

৯. কারখানায় স্থাপিত সকল যন্ত্রপাতির তালিকা

১০. এডহক আইআরসি এর সুপারিশপত্র, এডহক আমদানি স্বত্বের পরিমাণপত্র

১১. এডহক আইআরসি দ্বারা ইতিপূর্বে আমদানিকৃত সকল কাঁচামাল/যন্ত্রাংশের তালিকা, এলসির কপি, বিল অফ এন্ট্রি, তারিখ, টাকার পরিমাণ, উৎসের নাম, যন্ত্রাংশ ও কাঁচামালে পরিমাণ (ব্যাংকের প্রত্যায়নসহ)

১২. আমদানিকৃত যন্ত্রাংশ/কাঁচামাল দ্বারা উৎপাদিত পণ্যের নাম, পরিমাণ ও মূল্য

১৩. আমদানিকৃত যন্ত্রাংশ/কাঁচামালের মজুদের বিবরণী

প্রয়োজনীয় ফিঃ আমাদানি-রপ্তানি নীতির আলোকে আমদানি লাইসেন্স নিয়মিত করার জন্য ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি

কার্যসম্পাদনঃ পূর্ণাঙ্গ আবেদন জমা দেয়ার ১৫ দিনের মধ্যে বিষয়টি স্থানীয় তদন্ত করে স্থানীয় তদন্তের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তদন্ত সন্তোষজনক হলে আইআরসি নিয়মিত করার জন্য প্রধাননিয়ন্ত্রক, আমদানি-রপ্তানি বরাবর সুপারিশপত্র প্রেরণ করা হয়।

 

৬. শিল্প আমদানি সনদ(IRC) এর সুপারিশপত্র-২য় এডহক আইআরসিঃ প্রথম এডহক আইআরসি দ্বারা নির্ধারিত কাঁচামাল/যন্ত্রাংশ আমদানি কোন কারণে ব্যর্থ হলে, যা সাধারণতঃ কারখানা বন্ধ হওয়া বা উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার জন্য ঘটে, তবে ২য় এডহক আইআরসি ইস্যু করা যায়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র/দলিলাদিঃ

১. আবেদন পত্র

২. নিবন্ধন সনদের কপি

৩. সংঘ-স্মারক এবং সংঘ-বিধি(M&AOA) এর কপি

৪. হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স

৫. হালনাগাদ আয়কর(টিআইএন-TIN) সনদ

৬. চেম্বার অফ কমার্স অথবা অন্য কোন সংঘের হালনাগাদ সদস্যপদ সনদের কপি

৭. ব্যাংক থেকে স্বচ্ছলতার সনদ

৮. ইতিপূর্বে আমদানিকৃত মূলধনী যন্ত্রপাতির তালিকা(ব্যাংকের প্রত্যায়নসহ)

৯. কারখানায় স্থাপিত সকল যন্ত্রপাতির তালিকা

১০. এডহক আইআরসি এর সুপারিশপত্র, আমদানি স্বত্বের পরিমাণপত্র

১১. ১ম এডহক আইআরসি দ্বারা ইতিপূর্বে আমদানিকৃত সকল কাঁচামাল/যন্ত্রাংশের তালিকা, এলসির কপি, বিল অফ এন্ট্রি, তারিখ, টাকার পরিমাণ, উৎসের নাম, যন্ত্রাংশ ও কাঁচামালে পরিমাণ ব্যাংকের প্রত্যায়নসহ

১২. আমদানিকৃত যন্ত্রাংশ/কাঁচামাল দ্বারা উৎপাদিত পণ্যের নাম, পরিমাণ ও মূল্য

১৩. আমদানিকৃত যন্ত্রাংশ/কাঁচামালের মজুদের বিবরণী

প্রয়োজনীয় ফিঃ আমাদানি-রপ্তানি নীতির আলোকে ২য় এডহক আমদানি লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি

কার্যসম্পাদনঃ পূর্ণাঙ্গ আবেদন জমা দেয়ার ১৫ দিনের মধ্যে বিষয়টি স্থানীয় তদন্ত করে স্থানীয় তদন্তের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন সন্তোষজনক হলে প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে নিয়মিত আইআরসি ইস্যু করার জন্য প্রধান নিয়ন্ত্রক, আমদানি-রপ্তানি বরাবর সুপারিশ পত্র প্রেরণ করা হয়। আমদানি রপ্তানি অফিস থেকে নিয়মিত আইআরসি ইস্যু করা হয়।

 

৭. শিল্প স্থাপন সংক্রান্ত পরামর্শঃ শিল্প স্থাপন সংক্রান পরামর্শ প্রদান।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র/দলিলাদিঃ প্রযোজ্য নয়

প্রয়োজনীয় ফিঃ প্রযোজ্য নয়

কার্যসম্পাদনঃ তৎক্ষণাৎ।

 

৮. কর মওকুফ সুবিধাঃ কর মওকুফ সুবিধা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে প্রদান করা হয়। বিনিয়োগ বোর্ড থেকে কর মওকুফের সুবিধা প্রদানের জন্য সুপারিশপত্র প্রদান করা হয়। কর মওকুফের সুবিধা আর্থিক বছর অনুযায়ী পরিবর্তীত হতে পারে। কর মওকুফের সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করুন- www.nbr-bd.org

 

৯. শূল্ক হ্রাস সুবিধাঃ শিল্পের কাঁচামাল এবং যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে বিশেষ শুল্ক সুবিধা প্রদান করা হয়। শিল্পের জন্য কাঁচামাল আমদানিতে ভ্যাট রিবেট পাওয়া যেতে পারে। বিনিয়োগ বোর্ড থেকে শুল্ক সুবিধা প্রদানের জন্য সুপারিশপত্র প্রদান করা হয়। শুল্ক সুবিধা আর্থিক বছর অনুযায়ী পরিবর্তীত হতে পারে। শূল্ক মওকুফের সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করুন www.nbr-bd.org 

 

১০. অন্যান্য সেবাঃ অন্যান্য সেবা সমূহ বিনিয়োগ বোর্ড এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, জীবনবীমা টাওয়ার, ১০ দিলকুশা বা/এ থেকে পাওয়া যেতে পারে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য-www.bida.gov.bd। অন্যান্য সেবাসমূহের মধ্যে রয়েছে-

          ১. ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে স্থানীয় শিল্পের নিবন্ধন।

          ২. বিদেশী ও যৌথ বিনিয়োগ নিবন্ধন।

          ৩. বিদেশী বিনিয়োগকারী, সরবরাহকারী, প্রতিনিধিদের ভিসা সুবিধা প্রদান।

          ৪. বিদেশী বিশেষজ্ঞদের ওয়ার্ক পারমিট প্রদান।

          ৫. বিদেশী লভ্যাংশ, বিশেষজ্ঞ, কারিগরি ফি’র ইত্যাদির অর্থ বিদেশে পাঠানো(Remittance)।

          ৬. শিল্প কারখানার জন্য জমি অধিগ্রহণের সপারিশ।

          ৭. বিদেশী প্রতিষ্ঠানের শাখা খোলা।

          ৮. বিদেশী প্রতিষ্ঠানের শাখা বর্ধিতকরণ।

          ৯. বৈদেশিক ঋণ অনুমোদন।